বাংলাদেশের কোটি মানুষের বিনোদনের কথা মাথায় রেখে তৈরি Snatch – যেখানে প্রতিটি বাজি ন্যায্য, প্রতিটি পেমেন্ট সময়মতো, এবং প্রতিটি সদস্য গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশের মানুষের চাহিদা বুঝে তৈরি প্রতিটি ফিচার – স্থানীয় পেমেন্ট, বাংলা ভাষা, ক্রিকেট ফোকাস।
Snatch আন্তর্জাতিক লাইসেন্সের অধীনে পরিচালিত। সব গেমের ফলাফল RNG-যাচাইকৃত এবং তৃতীয় পক্ষ দ্বারা অডিট করা হয় নিয়মিত।
বাংলাদেশের মোবাইল ব্যাংকিং সিস্টেমের সাথে সম্পূর্ণ সংযুক্ত। জমা ও উইথড্রয়াল গড়ে ৮ মিনিটে – কোনো অপেক্ষা নেই।
BPL থেকে বিশ্বকাপ – ৩০+ খেলায় লাইভ ইন-প্লে বেটিং। ক্রিকেট, ফুটবল, কাবাডি – বাংলাদেশের প্রিয় সব খেলা এক জায়গায়।
Bronze থেকে Elite – প্রতিটি স্তরে আরও বড় পুরস্কার। শূন্য ওয়েজার রিলোড বোনাস, ডেডিকেটেড ম্যানেজার এবং সীমাহীন উইথড্রয়াল।
যেকোনো সময়, যেকোনো সমস্যায় বাংলায় সাহায্য পাবেন। লাইভ চ্যাট, ইমেইল বা ফোন – আপনার পছন্দমতো যোগাযোগ করুন।
Snatch বিশ্বাস করে বিনোদন হওয়া উচিত আনন্দের, চাপের নয়। বাজেট সীমা, স্ব-বিরতি ও সেলফ-এক্সক্লুশন টুল সবার জন্য উপলব্ধ।
২০২০ সালে Snatch যখন শুরু হয়েছিল, তখন বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং-এর ছবিটা অনেকটাই অনিশ্চিত ছিল। অনেক প্ল্যাটফর্ম ছিল, কিন্তু সত্যিকারের বিশ্বাসযোগ্যতা ছিল না। পেমেন্ট পেতে দেরি হতো, অডস কারচুপির অভিযোগ ছিল, এবং বাংলায় সাপোর্ট পাওয়া ছিল প্রায় অসম্ভব।
Snatch সেই শূন্যস্থান পূরণ করতেই এসেছে। আমাদের মিশন একটাই – বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষকে একটি নিরাপদ, স্বচ্ছ এবং আনন্দদায়ক গেমিং অভিজ্ঞতা দেওয়া, যেখানে জয়ের টাকা সত্যিই পাওয়া যায় এবং খেলোয়াড়ের স্বার্থ সবার আগে।
প্রতিটি গেমের RTP প্রকাশ্য, প্রতিটি বোনাসের শর্ত স্পষ্ট। Snatch কোনো কিছু লুকায় না – সব তথ্য সদস্যের কাছে উন্মুক্ত।
জয়ের টাকা পাওয়া সদস্যের অধিকার। Snatch-এ বিলম্বিত পেমেন্টের কোনো অজুহাত নেই – এটা আমাদের প্রতিষ্ঠার দিন থেকেই অঙ্গীকার।
আমরা বিশ্বাস করি দায়িত্বশীল বিনোদন সম্ভব। তাই Snatch-এ রয়েছে বাজেট নিয়ন্ত্রণ টুল, নাবালক সুরক্ষা ব্যবস্থা এবং স্ব-বিরতির সুবিধা।
বিকাশ, নগদ, রকেট – আমাদের পেমেন্ট সিস্টেম বাংলাদেশের মানুষের জন্য। ক্রিকেট-ফুটবল-কাবাডি – আমাদের বেটিং বাজার বাংলাদেশের খেলাধুলার কথা ভেবে তৈরি।
পাঁচ বছরে ছোট থেকে বড় হয়েছি আমরা – কিন্তু লক্ষ্য সবসময় একই ছিল। প্রতিটি মাইলস্টোন সদস্যদের বিশ্বাসের ফসল।
মাত্র পাঁচটি খেলা ও বিকাশ পেমেন্ট নিয়ে যাত্রা শুরু। প্রথম মাসেই ১০,০০০ সদস্য নিবন্ধিত।
BPL সিজনে লাইভ বেটিং চালু হলো। সদস্য সংখ্যা ৫ লক্ষ ছাড়িয়ে গেল।
পাঁচ স্তরের ভিআইপি সিস্টেম চালু। মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড হলো ১০ লক্ষ বার।
মেগা প্রোগ্রেসিভ জ্যাকপট চালু। একক জয়ের রেকর্ড ৳২.৪৫ কোটি।
বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় সক্রিয় সদস্য। বার্ষিক পেমেন্ট ৳১৮ কোটি ছাড়িয়েছে।
২০২০ সালে যখন Snatch প্রথম চালু হয়েছিল, তখন অনেকে ভেবেছিলেন এটাও হয়তো আর পাঁচটার মতো একটা সাইট। কিন্তু কয়েক মাসের মধ্যেই বোঝা গেল, Snatch একটু আলাদা। প্রথম পার্থক্য ছিল পেমেন্টে – জয়ের টাকা সত্যিই সময়মতো পাওয়া যাচ্ছে, কোনো অজুহাত নেই।
বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং-এর সবচেয়ে বড় সমস্যা সবসময় ছিল আস্থার অভাব। Snatch সেটা ভাঙতে পেরেছে মূলত তিনটি কারণে – স্বচ্ছ অডস, দ্রুত পেমেন্ট এবং বাংলায় সাপোর্ট। এই তিনটি জিনিস একসাথে দেওয়ার চেষ্টা খুব কম প্ল্যাটফর্মই করেছে।
Snatch-এর সদস্যরা শুধু ঢাকার মানুষ নন। রাজশাহীর চাষি, চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী, সিলেটের প্রবাসের পরিবার – সবাই Snatch ব্যবহার করেন। বিকাশ ও নগদের কারণে পেমেন্ট সিস্টেম দেশের প্রতিটি কোণায় পৌঁছে গেছে। এটাই Snatch-এর সাফল্যের সবচেয়ে বড় রহস্য – প্রযুক্তি যে স্থানীয় মানুষের জীবনের সাথে মিশে গেছে।
Snatch-এর ভিআইপি প্রোগ্রাম শুধু ধনীদের জন্য নয়। ব্রোঞ্জ টিয়ারে পৌঁছাতে মাত্র ১,০০০ পয়েন্ট দরকার। নিয়মিত ছোট বাজি দিলেই কয়েক সপ্তাহে ভিআইপি সুবিধা শুরু হয়। গোল্ড টিয়ার থেকে শূন্য ওয়েজার রিলোড বোনাস – এই ফিচারটা বাংলাদেশে Snatch-ই প্রথম দিয়েছে।
দায়িত্বশীল গেমিং নিয়ে Snatch-এর অবস্থান একেবারে স্পষ্ট। আমরা চাই মানুষ বিনোদনের জন্য খেলুক, নেশার জন্য নয়। প্রতিটি সদস্য নিজের দৈনিক বা সাপ্তাহিক বাজেট নিজেই নির্ধারণ করতে পারেন। প্রয়োজনে নিজেকে সাময়িক বিরতি দিতে পারেন। এই টুলগুলো কোনো বাধ্যবাধকতা নয়, এগুলো সদস্যদের সুরক্ষার জন্য Snatch-এর স্বেচ্ছায় দেওয়া সুবিধা।
Snatch শুধু একটি গেমিং সাইট নয় – এটা একটি কমিউনিটি। কেস স্টাডি পেজে বিজয়ীদের গল্প পড়লে বুঝবেন, মানুষের জীবনে একটু পরিবর্তন আনার সুযোগ Snatch পেয়েছে এবং সেটাকে সে সম্মান করে। আগামীর পরিকল্পনায় আছে ই-স্পোর্টস বেটিং, আরও বেশি ক্যাশব্যাক এবং আরও বেশি বাংলাদেশি খেলাধুলার কভারেজ।
২৫ লক্ষ সদস্যের বিশ্বাসী এই পরিবারে যোগ দিন। নিরাপদ, স্বচ্ছ ও আনন্দদায়ক গেমিং অভিজ্ঞতা শুধু এক ক্লিক দূরে।